হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী

হযরত ওমর (রা)-এর জীবনী, হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী, হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী pdf,হযরত ওমর রাঃ কতটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী ওয়াজ,হযরত আলী (রা) এর জীবনী,হযরত ওমর রাঃ এর প্রাথমিক জীবনী,হযরত ওমর রা এর জীবনী, হযরত ওমর রা এর জীবনী pdf, হযরত ওমর রাঃ এর শাসন আমল, হযরত ওমর রাঃ এর হত্যাকারীর নাম কি,হযরত ওমর রাঃ এর বাণী,হযরত ওমর রাঃ এর স্ত্রীর নাম কি,হযরত ওমর রা এর মৃত্যুর ঘটনা, হযরত ওমর রাঃ এর প্রাথমিক জীবনী, হযরত ওমর রাঃ এর শাসন ব্যবস্থা কেমন ছিল,
হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী

হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী

ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা) ছিলেন পৃথিবীর সেরা শাসক। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, শাসনক্ষমতা ও রাজ্য কাঠামোর তুলনা পৃথিবীতে আজও গৌরবের ইতিহাস হয়ে আছে। তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী নিম্নরূপ-

১. নাম ও পরিচিতি :

তাঁর নাম ওমর, উপনাম আবু হাফস, গুণব চক নাম আল ফারূক। পিতার নাম খাত্তাব এবং মাতার নাম হানতামা বিনতে হাশেম। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাহাবী ও ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা।

২. বংশধারা :

তাঁর বংশধারা হলো ওমর ইবনুল খাত্তাব ইবনে নুফাইল ইবনে আবদুল ওযযা ইবনে রিবাহ ইবনে লুয়াই ইবনে ফাহর ইবনে মালেক। তাঁর অষ্টম ঊর্ধ্ব পুরুষ কাব নামক ব্যক্তির মাধ্যমে মহানবী (স)-এর বংশের সাথে তাঁর বংশ মিলিত হয়েছে।

৩. জন্ম :

মহানবী (স)-এর জন্মের ১৩ বছর পর ৫৮৩ খ্রিস্টাব্দে ওমর (রা) জন্মগ্রহণ করেন। ইবনে আসাকির ‘তারিখে আমর ইবনুল আস’ নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেন, একদিন আমর ইবনুল আস কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবসহ বসে আছেন। এমন সময় হৈচৈ শুনে সংবাদ নিয়ে জানতে পেলেন, খাত্তাবের একটি ছেলে হয়েছে। এ বর্ণনার আলোকে বোঝা যায় হযরত ওমরের জন্মের সময় বেশ একটি আনন্দোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

৪. কৈশোরকাল :

কৈশোরে তাঁর পিতা তাঁকে উটের রাখালি কাজে নিযুক্ত করেন। তিনি মক্কার নিকটবর্তী ‘দাজনান’ নামক স্থানে উট চরাতেন। তিনি তাঁর খেলাফতকালে একবার এ মাঠ অতিক্রমকালে সঙ্গীদের কাছে বাল্যের স্মৃতিচারণ করতঃ বলেছিলেন, “এমন এক সময় ছিল যখন আমি পশমি জামা পরে এ মাঠে প্রখর রোদে আমার পিতা খাত্তাবের উট চরাতাম। তিনি ছিলেন অত্যন্ত কঠোর ও রসহীন ব্যক্তি । ক্লান্ত হয়ে একটু বিশ্রাম নিলে পিতার হাতে নির্মমভাবে প্রহৃত হতাম। কিন্তু আজ আমার এমন দিন এসেছে যে, এক আল্লাহ ছাড়া আমার ওপর কর্তৃত্ব করার আর কেউ নেই”। -তাবাকাত

৫. যৌবনকাল :

তিনি যৌবনের প্রারম্ভেই তৎকালীন অভিজাত আরবদের অবশ্য শিক্ষণীয় বিষয়গুলো যথা- যুদ্ধবিদ্যা, কুস্তি, বক্তৃতা ও বংশ তালিকা শিক্ষা প্রভৃতি আয়ত্ত করেন। তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে বংশ তালিকা বা নসবনামা বিদ্যা লাভ করেন। তাঁর পিতা ও পিতামহ উভয়ে ছিলেন এ বিদ্যায় বিশেষ পারদর্শী। তিনি ছিলেন তাঁর যুগের একজন শ্রেষ্ঠ কুস্তিগীর। আরবের ‘ওকায’ মেলায় তিনি কুস্তি লড়তেন ।

৬. কর্মজীবন :

জাহেলী যুগে ব্যবসায়-বাণিজ্য ছিল আরব জাতির সম্মানজনক পেশা। এরই ধারাবাহিকতায় তিনিও ব্যবসায় শুরু করেন এবং তাতে যথেষ্ট উন্নতি সাধন করেন। ব্যবসায় উপলক্ষে অনেক দূরদেশে গমন এবং বহু জ্ঞানী-গুণী সমাজের সাথে মেলামেশার সুযোগ লাভ করেন। এ ব্যাপারে দুটি বর্ণনা পরিলক্ষিত হয়। যেমন-

ক. ঐতিহাসিক মাসউদী বলেন, ‘ওমর (রা) জাহেলী যুগে সিরিয়া ও ইরাকে ব্যবসায় উপলক্ষে ভ্রমণে যেতেন। ফলে তিনি আরব ও আজমের অনেক রাজা-বাদশার সাথে মেলামেশার সুযোগ লাভ করেন।
খ. আল্লামা শিবলী নুমানী (র) বলেন, ‘জাহেলী যুগে ওমরের সুনাম সমগ্র আরবে ছড়িয়ে পড়েছিল। এ কারণে কুরাইশরা সর্বদা তাঁকেই দৈত্যগিরিতে নিয়োগ করত । অন্যান্য গোত্রের সাথে কোনো বিরোধ সৃষ্টি হলে নিষ্পত্তির জন্য তাঁকেই দূত হিসেবে পাঠানো হতো।

৭. ইসলাম গ্রহণ :

তিনি নবুয়তের ষষ্ঠ বছর ইসলাম গ্রহণ করেন। তাঁর ইসলাম গ্রহণের সময় সম্পর্কে দুটি অভিমত পরিলক্ষিত হয়। যেমন-
ক. কারো কারো মতে, তিনি নবুয়তের পঞ্চম সালে ইসলাম গ্রহণ করেন। তাঁর পূর্বে চল্লিশজন পুরুষ এবং এগারো জন মহিলা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।
খ. কেউ বলেন, তিনি যখন ইসলাম গ্রহণ করেন তখনই পুরুষের সংখ্যা ৪০ পূর্ণ হয়। তাঁর ইসলাম গ্রহণের পরই ইসলামের কার্যক্রম প্রকাশ্যভাবে চলতে শুরু করে এবং তখন তিনি ‘ফারূক’ উপাধিতে ভূষিত হন। তিনি আরকাম ইবনে আবুল আরকামের ঘর যা সাফা পাহাড়ের নিকটে অবস্থিত তথায় রাসূলে কারীম (স)-এর হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন। তাঁর ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে একটি প্রসিদ্ধ ঘটনাও রয়েছে ।

৮. ফারূক উপাধি লাভ :

হযরত ওমর (রা)-এর দূরদর্শিতার জন্যই ইসলাম ও কুফরের মধ্যে প্রকাশ্য বিভেদ সৃষ্টি হয়েছিল । মহানবী (স) বলেছেন, ‘ওমরের জিহ্বা ও অন্তঃকরণে আল্লাহ তায়ালা সত্যকে স্থায়ী করে দিয়েছেন। তাই মহানবী (স) তাঁকে ফারূক উপাধিতে ভূষিত করেন। কেননা মহান আল্লাহ তাঁর দ্বারা সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করে দিয়েছেন। ওমর (রা) বলেন, একদিন কুরাইশগণ আমাকে ও হামযাকে মসজিদে হারামের বাইরে দেখে ব্যথিত হয়েছিল । সেদিন মহানবী (স) আমার নাম রাখেন ফারূক । কেননা আল্লাহ তায়ালা আমার দ্বারা হক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্য করে দিলেন। প্রসিদ্ধ মতে, তিনি ইসলাম গ্রহণ করামাত্র প্রকাশ্যে ইসলাম ঘোষণা করায় মহানবী (স) তাঁকে ফারূক উপাধিতে ভূষিত করেন।

৯. হিজরত :

হযরত ওমর (রা)-এর হিজরত ও অন্যদের হিজরতের মধ্যে একটা বিশেষ পার্থক্য ছিল । অন্যদের হিজরত ছিল চুপে চুপে এবং সকলের অগোচরে। আর ওমর (রা)-এর হিজরত ছিল প্রকাশ্যে। তাঁর মধ্যে ছিল কুরাইশদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ও বিদ্রোহের সুর । মক্কা থেকে মদিনায় যাত্রার পূর্বে তিনি প্রথমে কাবা তাওয়াফ করলেন। তারপর কুরাইশদের আড্ডায় গিয়ে ঘোষণা করলেন, আমি মদিনায় চলছি। কেউ যদি তার মা-কে পুত্র শোক দিতে চায়, সে যেন এ উপত্যকার অপর প্রান্তে আমার মুখোমুখি হয়। এমন একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি সোজা মদিনার পথ ধরলেন। কিন্তু কেউ এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণের দুঃসাহস করল না।

১০. খেলাফতের দায়িত্বগ্রহণ :

হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা)-এর ইন্তেকালের পর তিন হিজরী ১৩ সালের ২৩ জমাদিউস সানি খেলাফতের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। আর হিজরী ২৩ সালের ২৩ যিলহজ্জ তিনি শাহাদাতপ্রাপ্ত হন এবং তাঁর খেলাফত সমাপ্ত হয়। তাঁর খেলাফতের সময়সীমা ছিল সর্বমোট ১০ বছর ৬ মাস।

১১. জেহাদে অংশগ্রহণ :

হযরত ওমর (রা) বদর, উহুদ ও খন্দকসহ সকল যুদ্ধেই মহানবী (স)-এর সাথে অংশগ্রহণ করেছিলেন । তাছাড়া তিনি আরো কিছু যুদ্ধে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন । বদর যুদ্ধের বন্দিদের ব্যাপারে তাঁর পরামর্শই আল্লাহ তায়ালা পছন্দ করেন।

১২. গুণাবলি :

তিনিই সর্বপ্রথম হিজরী সনের প্রবর্তক। তারাবীর নামায জামায়াতে আদায়ের ব্যবস্থা, জনশাসনের জন্য দুররা বা ছড়ি ব্যবহার, মদ্যপানে আশিটি বেত্রাঘাত নির্ধারণ, বহু রাজ্য জয়করণ, নগর পত্তনকরণ, সেনাবাহিনীর স্তরভেদ ও বিভিন্ন ব্যাটালিয়ান নির্দিষ্টকরণ, জাতীয় রেজিস্টার বা নাগরিক তালিকা তৈরি, কাযী নিয়োগ, রাষ্ট্রকে বিভিন্ন প্রদেশে বিভক্তকরণ ইত্যাদি কার্যাবলি সুচারুরূপে সম্পন্ন করেন। রাসূল (স) যথার্থই বলেছেন, ‘আমার পরে কেউ নবী হলে ওমর নবী হতো’।

১৩. বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা :

তিনি রাসূল (স) থেকে সর্বমোট ৫৩৯টি হাদীস বর্ণনা করেছেন। রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকতেন বলে তাঁর বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা তুলনামূলক কম। ইমাম বুখারী ও মুসলিম (র) উভয়ে তাঁদের সহীহ গ্রন্থে ওমর (রা) বর্ণিত দশখানা হাদীস উল্লেখ করেছেন। ইমাম বুখারী (র) এককভাবে নয়খানা ও ইমাম মুসলিম (র) এককভাবে পনেরোখানা হাদীস উল্লেখ করেছেন।

১৪. মহানবীর সাথে তাঁর পারিবারিক সম্পর্ক :

মহানবী (স)-এর সাথে তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। তিনি স্বীয় কন্যা হাফসা (রা)-কে মহানবী (স)-এর কাছে বিবাহ দেন। অপরদিকে মহানবী (স)-এর নাতনী হযরত আলী (রা)-এর কন্যা উম্মে কুলসুম বিনতে ফাতেমাকে চল্লিশ হাজার দিরহাম নগদ মহর প্রদানপূর্বক হযরত ওমর (রা) হিজরী ১৭ সনে বিবাহ করেন।

১৫. ইন্তেকাল :

হিজরী ২৩ সালের ২৪ যিলহজ্জ বুধবার দিন তিনি মসজিদে নববীতে এশার নামাযের ইমামতি করার জন্য দাঁড়ালে মুগীরা ইবনে শোবার অগ্নিপূজক ক্রীতদাস আবু লুলু বিষাক্ত তরবারি দ্বারা তাঁর মাথা ও নাভিতে মারাত্মকভাবে আঘাত করে । আহত অবস্থায় তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ২৭ যিলহজ্জ শনিবার তিনি শাহাদাতবরণ করেন।

১৬. জানাযা ও দাফন :

হযরত শোহাইব (রা) তাঁর জানাযায় ইমামতি করেন। হযরত আয়েশা (রা)-এর অনুমতিক্রমে রওযায়ে নববীর মধ্যে সিদ্দীকে কবরের বাম পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।

আরো পড়ুন :

হযরত আব্বাস রাঃ এর জীবনী

হযরত মায়মুনা রাঃ এর জীবনী

হযরত হামজা রাঃ এর জীবনী

হযরত আয়েশা রাঃ এর জীবনী

আবু হুরায়রা রাঃ এর জীবনী

হযরত আবু বকর রা: এর জীবনী

হযরত ওসমান রাঃ এর জীবনী

হযরত আলী রাঃ এর জীবনী 

হযরত মুয়াবিয়া রাঃ এর জীবনী

হযরত আনাস রাঃ এর জীবনী

মুয়াজ ইবনে জাবাল রাঃ এর জীবনী

হযরত আবু যর গিফারী রাঃ এর জীবনী

হযরত খালেদ ইবনে ওয়ালিদ (রা) এর জীবনী

হযরত আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব রাঃ এর জীবনী

হযরত জাবের ইবনে আতীক রাঃ এর জীবনী

হযরত জোবায়ের ইবনে মুতয়িম রাঃ এর জীবনী

হযরত যায়েদ ইবনে খালেদ আল জুহানী রাঃ এর জীবনী

আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাঃ এর জীবনী

হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) এর জীবনী

হযরত আবু মুসা আশয়ারী রাঃ এর জীবনী

হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রাঃ এর জীবনী

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ এর জীবনী

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর এর জীবনী

আবু লুবাবা রাঃ এর জীবনী

হযরত সাহল ইবনে হানযালা রাঃ এর জীবনী

হযরত হাকেম ইবনে হাযম রাঃ এর জীবনী

হযরত উম্মে সালমা রাঃ এর জীবনী

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবু আওফা রাঃ এর জীবনী

হযরত সামুরা ইবনে জুনদুব রাঃ এর জীবনী

হযরত ওকবা ইবনে হারেস রাঃ এর জীবনী

হযরত রাফে ইবনে খাদীজ (রা) এর জীবনী

সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাঃ এর জীবনী

হযরত বারা ইবনে আযেব রাঃ এর জীবনী

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল রাঃ এর জীবনী

হযরত সাহল ইবনে সাদ রাঃ এর জীবনী

হযরত নাফে রাঃ এর জীবনী

হযরত বেলাল রাঃ এর জীবনী

আবদুর রহমান ইবনে আউফ রাঃ এর জীবনী

হযরত যায়েদ ইবনে সাবিত রাঃ এর জীবনী

হযরত নোমান ইবনে বশীর রাঃ এর জীবনী

হযরত আবু বাকরা রাঃ এর জীবনী

হযরত মুগীরা ইবনে শুবা রাঃ এর জীবনী

হযরত আবু আইয়ুব আল আনসারী রাঃ এর জীবনী

হযরত উবাই ইবনে কাব রাঃ এর জীবনী

হযরত আবু কাতাদা রাঃ এর জীবনী

হযরত আবু দারদা রাঃ এর জীবনী

হযরত আয়েশা রাঃ এর জীবনী

ট্যাগ সমূহ : হযরত ওমর (রা)-এর জীবনী, হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী, হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী pdf,হযরত ওমর রাঃ কতটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী ওয়াজ,হযরত আলী (রা) এর জীবনী,হযরত ওমর রাঃ এর প্রাথমিক জীবনী,হযরত ওমর রা: এর জীবনী, হযরত ওমর রা: এর জীবনী pdf, হযরত ওমর রাঃ এর শাসন আমল, হযরত ওমর রাঃ এর হত্যাকারীর নাম কি,হযরত ওমর রাঃ এর বাণী,হযরত ওমর রাঃ এর স্ত্রীর নাম কি,হযরত ওমর রা: এর মৃত্যুর ঘটনা, হযরত ওমর রাঃ এর প্রাথমিক জীবনী, হযরত ওমর রাঃ এর শাসন ব্যবস্থা কেমন ছিল,হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.,হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.,হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.,হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী,হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী,হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী,হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী,হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী.

4 thoughts on “হযরত ওমর রাঃ এর জীবনী

  1. হজরত উমর রা: এর ওফাত সন ভুল প্রিন্ট হয়েছে,২৬ জিলহজ্জ ২৩ হিজরি তিনি আহত হন এর তিন দিন পর তিনি শাহাদাত বরন করেন।
    উনার বয়সের তথ্যে ভুল আছে,আপনি লিখেছেন ৮৬ বছর, সঠিক তথ্য হল ৬৩ বছর।(সুত্র:তারিখুল খুলাফা,কৃত:ইমাম জালাল উদ্দীন সুয়ুতি রহ:)

    1. জ্বি গড়মিল ছিলো আসলে শিরোনাম টাই ভুল হয়েছিলো। আসলে আপনি আগে যেই সাহাবির জিবনী পড়েছেন সেটা ছিলো আবদুল্লাহ ইবনে ওমর এর জীবনী চাইলে দেখে আসতে পারেন।

      ভুল ধরিয়ে দেওয়ার অসংখ্য ধন্যবাদ। জাজাকাল্লাহু খায়রান।

  2. শিরোনাম দিলেন হজরত উমর রা এর জিবনী।বিবরণে দেখা যাচ্ছে গড়মিল

    1. জ্বি গড়মিল ছিলো আসলে শিরোনাম টাই ভুল হয়েছিলো। আসলে আপনি আগে যেই সাহাবির জিবনী পড়েছেন সেটা ছিলো আবদুল্লাহ ইবনে ওমর এর জীবনী চাইলে দেখে আসতে পারেন।

      ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। জাজাকাল্লাহু খায়রান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *