১১১. সূরা লাহাব Sura lahab سورة المسد এর তাফসির ও শানে নুযুল

সূরা লাহাব, سورة المسد,سورة المسد للاطفال,سوره المسد,sura lahab bangla ,sura lahab,সূরা লাহাব,সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ,সুরা লাহাব ,সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ, সূরা লাহাবের শানে নুযুল, সূরা লাহাবের তাফসীর, সূরা লাহাবের অক্ষর কয়টি, সূরা লাহাব এর বর্ণ কয়টি, সূরা লাহাব এর অর্থ কি
সূরা লাহাব Sura lahab سورة المسد

সূরা লাহাবের পরিচয় :

সূরার নাম : সূরা লাহাব (মাসাদ) সুরার অর্থ : অগ্নিশিখা।
সূরা নং : ১১১ রুকু সংখ্যা : ১
আয়াত সংখ্যা : ৫ সিজদার সংখ্যা : ০
অক্ষর সংখ্যা : ৮১শ্রেণী : মাক্কী।
শব্দের সংখ্যা : ২৯পারার সংখ্যা : ৩০

সূরা লাহাব Sura lahab سورة المسد এর শানে নুযুল ও তাফসির

بسم الله الرحمن الرحيم

শুরু করছি আল্লাহর নামে; যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
(١)-تَبَّتۡ یَدَاۤ اَبِیۡ لَهَبٍ وَّ تَبَّ

(১) আবু লাহাবের হাতদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে।
(٢)-مَاۤ اَغۡنٰی عَنۡهُ مَالُهٗ وَ مَا کَسَبَ

(২) কোনো কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে।
(٣)-سَیَصۡلٰی نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ

(৩) সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে।
(٤)-وَّ امۡرَاَتُهٗ ؕ حَمَّالَۃَ الۡحَطَبِ

(৪) এবং তার স্ত্রী ও যে ইন্ধন বহন করে।
(٥)-فِیۡ جِیۡدِهَا حَبۡلٌ مِّنۡ مَّسَدٍ

(৫) তার গলদেশে খেজুরের রশি নিয়ে।

শাব্দিক বিশ্লেষণ :

تَبَّتۡ : (সে ধ্বংস হয়েছে), সাধারণ অতীতকালীন ক্রিয়া, একবচন, প্রথম পুরুষ, স্ত্রীলিঙ্গ। تبا ক্রিয়ামূল এর অর্থ হলো ধ্বংস হওয়া, বিনষ্ট হওয়া, সর্বনাশ হওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, বিনাশ হওয়া ইত্যাদি।

اَبِیۡ لَهَبٍ : (আবু লাহাব), রাসূলুল্লাহ স.-এর চাচার নাম। নামের শাব্দিক অর্থ হলো- অগ্নিশিখার পিতা, অত্যন্ত উত্তেজনাপ্রবণ ব্যক্তি। তার আসল নাম আব্দুল ওযযা।

مَاۤ اَغۡنٰی : (কাজে আসেনি), না-বোধক সাধারণ অতীতকালীন ক্রিয়া ।غۡنٰی ক্রিয়ামূল। অর্থ: অভাবমুক্ত হওয়া, ধনবান হওয়া, সম্পদশালী হওয়া, অমুখাপেক্ষৌ হওয়া ইত্যাদি।

کَسَبَ : (সে উপার্জন করেছে), অতীতকালীন ক্রিয়া, একবচন, প্রথম পুরুষ, পুংলিঙ্গ। كسبا ক্রিয়ামূল, এর অর্থ: উপার্জন করা, লাভ করা, অর্জন করা, কামাই করা, আয় করা ইত্যাদি।

سَیَصۡلٰی : (শীঘ্রই সে জ্বলবে, আগুনে দগ্ধ হবে), বর্তমানকালীন ক্রিয়া, একবচন, প্রথম পুরুষ, পুংলিঙ্গ । صلى و صليا ক্রিয়ামূল, এর অর্থ হলো তপ্ত হওয়া, দগ্ধ হওয়া, অগ্নিশিখায় প্রজ্বলিত হওয়া, প্রবেশ করা ইত্যাদি।

وَّ امۡرَاَتُهٗ : (তাঁর স্ত্রী, তাঁর সহধর্মিণী), امراة শব্দটির শেষে ‘হু’ সর্বনাম যুক্ত হয়েছে, এটি একবচন, বহুবচন হলো نساء نسوة, নারী, স্ত্রীলোক, পুরুষের বিপরীত লিঙ্গ ইত্যাদি অর্থ বোঝায় ।

جِیۡد هَا : (তার গলায়),جِیۡدِ অর্থ: গলা, গ্রীবা, ঘাড় । শব্দটি একবচন, বহুবচন হলো-جيود اجياد, শেষে স্ত্রীলিঙ্গ ‘হা’ (সে) সর্বনাম যুক্ত হয়েছে।

مَّسَدٍ : (শব্দটির সীনের ওপরে সাকিন হলে অর্থ হয় খেজুরগাছের আঁশ, আঁশের দড়ি। সীনের ওপর যবর হলে অর্থ হয়- যেকোনো প্রকার মজবুত রশি।) বিশেষ্য, একবচন, বহুবচন হলো- امساد


সূরার আলোচ্য বিষয়

সূরা লাহাবের মূল বিষয় হলো রাসুলুল্লাহ স.-এর বিরুদ্ধাচরণকারী চাচা আবু লাহাব ও তার স্ত্রীর পরিণতি বর্ণমার মাধ্যমে যারা নবীর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে তাদেরকে সতর্ক করা ও ভয়াবহ পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া। আবু লাহাবের আসল নাম ছিল আব্দুল ওযযা। সে ছিল আব্দুল মুস্তালিবের অন্যতম সন্তান। গৌরবর্ণের কারণে তার চেহারা অগ্নিস্ফুলিঙ্গের ন্যায় দেখা যেত। তাকে আবু লাহাব বলে ডাকা হতো। পাহার অর্থ অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। কুরআনে তার আসল নাম বর্জন করেছে। কারণ, সেটা শিরকযুক্ত নাম। এছাড়া আবু লাহাব শব্দটিতে জাহান্নামের ইঙ্গিত রয়েছে।

সূরা লাহাবের শানে নুযূল

আল-কুরআনের সূরা শু’আরার আয়াত- وانذر عشيرتك الأقربين (তোমার নিকট আত্মীয়বর্গকে পরকাল সম্পর্কে সতর্ক করো) নাযিল হলে রাসূল স. ‘সাফা’ পর্বতে আরোহণ করে উচ্চ স্বরে ‘ইয়া সাবাহা! ইয়া সাবাহা।’ হে প্রভাতের বিপদ! হে প্রভাতের বিপদ! বলে ডাক দিতে লাগলেন। এমন বিপদ সংকেত শুনে অল্প সময়ের মধ্যে কুরাইশ নেতারা পাহাড়ের পাদদেশে এসে একত্রিত হলো। তখন রাসূল স. তাদেরকে বললেন, ‘যদি আমি তোমাদেরকে বলি যে, সকালে অথবা সন্ধ্যাবেলায় শত্রুরা তোমাদের ওপর আক্রমণ চালাবে, তবে কি তোমরা আমার কথা বিশ্বাস করবে? সবাই সমস্বরে বলে উঠল- হ্যাঁ, হ্যাঁ অবশ্যই বিশ্বাস করব।

তখন তিনি তাদেরকে বললেন, হে আমার সম্প্রদায়! আমি তোমাদেরকে আল্লাহর ভয়াবহ শাস্তি আগমনের সংবাদ দিচ্ছি। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। আখিরাতকে ভয় করো। আবু লাহাব রাসূল স.-এর এ কথা শুনে বলল, ‘তোমার সর্বনাশ হোক। এই কথা বলার জন্যই কি আমাদেরকে সমবেত করেছো? এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আলোচ্য সূরাটি অবতীর্ণ হয়। আবু লাহাব সব সময় রাসূল স.-এর বিরোধিতা ও শত্রুতা করেছে। তার এক স্ত্রী ছিল, সেও আল্লাহর রাসূলের শত্রুতা করেছে। এ সূরায় স্বামী-স্ত্রী উভয়ের শোচনীয় পরিণতি বর্ণনা করা হয়েছে। (সহীহ বুখারী-৪৯৭১)

সূরা লাহাবের তাফসীর :

আয়াত-১.
আবু লাহাব এর হাত দুটি ধ্বংস হোক এবং সে নিজেও ধ্বংস হোক।

শানে নুযূল প্রসঙ্গে উল্লেখ আছে যে, আবু লাহাব রাসূলুল্লাহ স.-এর এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ স.-এর প্রতি আবু লাহাব দুই হাত প্রসারিত করে, হস্তদ্বয় নেড়ে নেড়ে ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছিল, তাই তার হাত দুটি ধ্বংস হওয়ার জন্য বিশেষভাবে বলা হয়েছে। বস্তুত এখানে হাত বলে কেবল তার হাত দুটি বিনাশ হওয়ার অর্থ বোঝানো হয়নি; বরং তার পুরো দেহই নষ্ট হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। কেননা হাত বলে ব্যক্তির পূর্ণ দেহ উদ্দেশ্য নেওয়ার প্রচলন সাহিত্যে রয়েছে। আর বাস্তবে তা-ই ঘটেছে। বদর যুদ্ধের সাত দিন অতিবাহিত হলে তার দেহে একটি বিষফোঁড়া দেখা দেয়। তার এ বিষফোঁড়ার কারণে আস্তে আস্তে সারা শরীর সংক্রমিত হতে থাকে।

ফলে অন্যদের দেহে এ রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে, এমন আশঙ্কায় পরিবারের লোকেরা তাকে একটি নির্জন স্থানে ফেলে আসে। সেখানে সে নিতান্ত নিঃসঙ্গ অবস্থায় পড়ে থাকে এবং একসময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তার মারা যাওয়ার তিন দিন পর পর্যন্ত লাশ এভাবেই পড়ে থাকে। অবশেষে পচন ধরলে একজন হাবশী শ্রমিককে ডাকা হয়। সে একটি গর্ত খনন করে লাঠি দিয়ে ঠেলে লাশটিকে সেখানে ফেলে পাথর চাপা দেয়। এভাবেই অবমাননা ও লাঞ্ছনাকরভাবে আবু লাহাবের অবসান ঘটে।

আয়াত-২.
তার সম্পদ এবং যা সে উপার্জন করেছে। তা তার কোনো কাজে আসেনি। ধন-সম্পদ ও উপার্জন বলে তার সন্তান-সন্ততিকেও বোঝানো হয়েছে। কেননা সন্তান-সন্ততিকেও মানুষ উপার্জন বলে। আল্লাহ তা’আলা আবু লাহাবকে যেমন দিয়েছিলেন অগাধ ধন-সম্পদ, তেমনি দিয়েছিলেন অনেক সন্তান-সন্ততি। অকৃজ্ঞতার কারণে এ দুটি বস্তুই তার গর্ব, অহমিকা ও শাস্তির কারণ হয়ে যায়।

আবু লাহাবকে যখন আল্লাহর শাস্তি, পরকালের কঠিন পরিস্থিতি সম্পর্কে বলা হতো তখন সে বলত, ‘সত্যি সত্যিই যদি এসব ঘটে, তবে আমার অনেক সন্তান ও বিপুল পমিাণ সম্পদ আছে। সেগুলো মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে শাস্তি থেকে ছাড়া পেয়ে যাব।’ তার এ কথার প্রতি তীব্র অবজ্ঞা প্রদর্শন করে বলা হয়েছে তার সম্পদ কোনো কাজে আসেনি। যখন সময় আসবে, আল্লাহর আজাব থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না। অতঃপর তার পরকালের অবস্থা বর্ণিত হয়েছে।

আয়াত-৩.
অচিরেই সে লেলিহান আগুনে জ্বলবে।
দুনিয়াতে থাকতেই আল্লাহ তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত বলে ঘোষণা দিয়ে দিলেন। সম্ভবত আল-কুরআনে তার আসল নাম উল্লেখ না করে উপনাম ‘আবু লাহাব’ সম্বোধন করে এ কথার দিকে ইশারা করা হয়েছে যে, তার নামের অর্থ যেমন আগুনের পিতা; ঠিক তেমনি সে চিরকাল লেলিহান আগুনেই বসবাস করবে। সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। আর জাহান্নামের শাস্তি খুবই ভয়াবহ। দুনিয়ার আগুনের চেয়েও জাহান্নামের আগুন অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী। জাহান্নামের কঠিন ও ভয়ংকর শাস্তির বর্ণনা আল-কুরআনের বহু স্থানে বর্ণিত হয়েছে।

আয়াত-৪.
এবং তার কাঠ বহনকারিণী স্ত্রীও।
আবু লাহাবের স্ত্রীর নাম ‘উম্মে জামীল’। আবু লাহাবের ন্যায় তার স্ত্রীও রাসূলুল্লাহ স.-এর প্রতি বিদ্বেষ ভাবাপন্ন ছিল। সে এ ব্যাপারে তার স্বামীকে সাহায্য করত। সে এত নীচ ও হীন প্রকৃতির লোক ছিল যে, জঙ্গল থেকে শুকনা কাঠ ও কাঁটাযুক্ত বৃক্ষের ডাল বহন করে এনে রাসূল স.-এর যাতায়াত পথে বিছিয়ে রাখত, যাতে নবীজি স. ও তাঁর নিকট গমনাগমনকারীগণ কাঠে হোঁচট খেয়ে পড়ে যান এবং কাঁটাবিদ্ধ হয়ে কষ্ট পান। তাই তাকে কুরআনে । حَمَّالَۃَ الۡحَطَبِ শুষ্ক কাঠ বহনকারিণী উল্লেখ করা হয়েছে। তার এমন জঘন্য কর্মের জন্য আল-কুরআনে তার স্বামীর সাথে তাকেও অভিশপ্ত জাহান্নামী হিসেবে উল্লেখ করেছে।

অপর এক বর্ণনা মতে, আরবের বাক পদ্ধতিতে পশ্চাতে নিন্দাকারীকে حَمَّالَۃَ الۡحَطَبِ (খড়িবাহক) বলা হতো। খড়ি একত্রিত করে যেমন কেউ অগ্নি সংযোগের ব্যবস্থা করে, পশ্চাতে নিন্দাকার্যটিও তেমনি। এর মাধ্যমে নিন্দাকারী ব্যক্তিবর্গ ও পরিবারের মধ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। আবু লাহাবের স্ত্রী এ কাজে লিপ্ত ছিল। তাই তাকে খড়ি বহনকারিণী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আয়াত-৫.
তার গলায় পাকানো রশি বাঁধা থাকবে।
গলায় রশি বাঁধা থাকার ব্যাখ্যায় তাফসীরকারদের অভিমত হলো, এই মহিলা জাহান্নামে শিকল ও জিঞ্জির গলায় পেঁচানো অবস্থায় থাকবে। উল্লেখ্য যে, এই নারী রাসূলুল্লাহ স.-এর এত বেশি বিরুদ্ধাচরণ করছিল যে, সে বলে বেড়া তো আমার গলার অতি মূল্যবান এ হারটি মুহাম্মদের বিরোধিতায় ব্যয় করব।’ তাই জাহান্নামেও সে গলায় একটি হার তথা শিকল বয়ে বেড়াবে ।

বিস্ময়কর ব্যাপার হলো এই যে, বর্ণিত আছে এ হতভাগী নারীটির মৃত্যু গলায় রশি পেঁচিয়ে হয়েছিল। একদা সে রশি দিয়ে বাঁধা লাকড়ির একটি বোঝা নিয়ে যাচ্ছিল, পথে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য পাথরের ওপর বসলে একজন ফেরেশতা সেখানে উপস্থিত হয়ে লাকড়ির আঁটিটি ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এর ফলে কোনোক্রমে তার গলায় রশি আটকে ফাঁস পড়ে যায়। আর সে অবস্থায়ই তার মৃত্যু হয়।

নির্দেশনা

১. রাসূলুল্লাহ স.-এর বিরুদ্ধাচরণ ও তাঁর বিষোদ্গার করা হারাম। যে কেউ এমন নীচু ও জঘণ্য কাজে সম্পৃক্ত হবে আল্লাহ তাকে ভয়াবহ শাস্তি প্রদান করবেন।
২. রাসূল স.-এর দুশমন চিরস্থায়ী জাহান্নামে প্রবেশ করবে। হতভাগা সে ব্যক্তি দুনিয়াতেও পাপের প্রায়শ্চিত্ত ভোগ করতে থাকবে।
৩. স্বামী খোদাদ্রোহী হলে কিংবা অপরাধের সাথে যুক্ত থাকলে স্ত্রী সে কাজে জড়িত হওয়া অপরাধ । বরং স্ত্রী সত্য সরল পথ অনুসরণ করে অপরাধ থেকে বেঁচে থাকবে। স্বামীকে সঠিক পথে নিয়ে আসার প্রচেষ্টা করবে। তাকে সঠিক পথে নিয়ে আসা সম্ভব না হলে, প্রয়োজনে স্বামীর সাথে সকল ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করবে। বস্তুত একজন মুমিন নারী কখনোই কোনো খোদাদ্রোহীর সাথে থাকতে পারে না। নবীবিদ্বেষ কুফরী। নবীর বিরুদ্ধাচরণ কেবল একজন কাফেরই করতে পারে।

ট্যাগ সমূহ : সূরা লাহাব, سورة المسد,سورة المسد للاطفال,سوره المسد,sura lahab bangla ,sura lahab,সূরা লাহাব,সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ,সুরা লাহাব ,সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ, সূরা লাহাবের শানে নুযুল, সূরা লাহাবের তাফসীর, সূরা লাহাবের অক্ষর কয়টি, সূরা লাহাব এর বর্ণ কয়টি, সূরা লাহাব এর অর্থ কি,سورة المسد,سورة المسد للاطفال,سوره المسد,sura lahab bangla ,sura lahab,সূরা লাহাব,সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ,সুরা লাহাব ,সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ, সূরা লাহাবের শানে নুযুল, সূরা লাহাবের তাফসীর, সূরা লাহাবের অক্ষর কয়টি, সূরা লাহাব এর বর্ণ কয়টি, সূরা লাহাব এর অর্থ কি,سورة المسد,سورة المسد للاطفال,سوره المسد,sura lahab bangla ,sura lahab,سورة المسد,سورة المسد للاطفال,سوره المسد,sura lahab bangla ,sura lahab,সূরা লাহাব, سورة المسد,سورة المسد للاطفال,سوره المسد,sura lahab bangla ,sura lahab,সূরা লাহাব,সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ,সুরা লাহাব ,সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ, সূরা লাহাবের শানে নুযুল, সূরা লাহাবের তাফসীর, সূরা লাহাবের অক্ষর কয়টি, সূরা লাহাব এর বর্ণ কয়টি, সূরা লাহাব এর অর্থ কি,

আরো পড়ুন :

১১৪. সূরা নাস এর তাফীসর

১১৩. সূরা ফালাক Sura Falak سورة الفلق এর তাফসির ও শানে নূযুল

১১২.সূরা ইখলাস سورة الاخلاص Sura Ikhlas এর তাফসির ও শানে নুযূল

০১. সূরা ফাতিহা এর তাফসীর নামকরন ও শানে-নুযূল

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top