জ্বর সর্দি কাশির ঔষধের নাম

জ্বর সর্দি কাশির ঔষধের নাম,বাচ্চাদের জ্বর সর্দি কাশির ঔষধের নাম,জ্বর সর্দি কাশির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম,সর্দি কাশির ওষুধের নাম,কাশির ঔষধের নাম,সর্দি কাশির ঔষধের নাম, ঠান্ডা কাশির ঔষধের নাম,ঠান্ডা বা সর্দি কি,সর্দি কাশির ঘরোয়া চিকিৎসা,সর্দি কাশির ক্যাপসুল এর নাম,ঠান্ডার উপসর্গ,কাশি কি কারণে হয়ে থাকে,জ্বর সর্দি কাশি মেডিসিন নাম,জ্বর হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিত,ঠান্ডা জ্বরের ঔষধের নাম,জ্বর সর্দি কাশির এন্টিবায়োটিক,

জ্বর সর্দি কাশির ঔষধের নাম

সর্দি কাশি আমাদের জন্য খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। এটি সাধারণত আবহাওয়ার পরিবর্তনে হয়ে থাকে। ঠান্ডা কাশি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে। আজকের আর্টিকেলে আমরা ঠান্ডা বা সর্দি কি, কাশি কি কারণে হয়ে থাকে?, উপসর্গ, সর্দি কাশির ঔষধের নাম, সিরাপের নাম, ক্যাপসুল এর নাম এবং ঘরোয়া পদ্ধতিতে সমাধান সমস্ত কিছু সম্পর্কে জানতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

ঠান্ডা বা সর্দি কি
সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসজনিত কারণে ঠান্ডা আবার সর্দি হয়ে থাকে। শ্বাসযন্ত্রে বিভিন্ন প্রকার ভাইরাসের আক্রমণে ঠান্ডা বা সর্দি হয়ে থাকে। বিভিন্ন সময় আবহাওয়া জনিত কারণেও শরীরে ইমিউনিটি কমে যাওয়ার কারনে সর্দি হয়ে থাকে। সর্দি থেকে বা ভাইরাস জনিত কারণে নিমুনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা, করোনা ভাইরাস, প্যারাইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি রোগ হয়ে থাকে। তাই সর্দি হলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করতে হবে।

আরো পড়ুন : জ্বর হলে করণীয় কি

কাশি কি কারণে হয়ে থাকে?
কাশি একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। বিভিন্ন ধরনের ভাই*রাস ব্যাকটেরিয়া আক্রমণের ফলে শরীরের ইউনিটি কমে যাওয়ার কারণে কাশি হয়ে থাকে। অনেক সময় এলার্জিজনিত কারণে কাশি হয়ে থাকে। অনেকের ধুলোবালি এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে কাশি হয়ে থাকে। অনেক কম বুকে শ্লেষা হিসেবে জমে থাকে। কাশি তিন সপ্তাহের অধিক সময় ধরে হলে যত সম্ভব দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং কফ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে যক্ষা হয়েছে কিনা।

ঠান্ডার উপসর্গ
সর্দি কাশি খুবই সাধারণ রোগ। সবার এই রোগের উপসর্গ সম্পর্কে জানা উচিত।

১. সর্দির সর্বপ্রথম উপসর্গ হচ্ছে নাক দিয়ে অঝোরে পানি পড়া।
২. শরীর গরম বা জ্বর অনুভূত হওয়া।
৩. কোন কিছুর গন্ধটির না পাওয়া।
৪. হালকা থেকে অধিক পরিমাণে মাথা ব্যথা হওয়া।
৫. এবং নাক বন্ধ থাকার কারণে নিঃশ্বাসের সমস্যা হওয়া।
উপরের উল্লেখিত উপসর্গ গুলো দেখলে যথা সম্ভব চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

সর্দি কাশির ওষুধের নাম
সর্দি কাশি সাধারণ হলেও এটি সকল রোগের উপসর্গ হিসাবে কাজ করতে পারে। সাধারণ কাশি থেকে যক্ষ্মা পর্যন্ত হতে পারে এবং সাধারণ ঠান্ডা থেকে নিউমোনিয়া পর্যন্ত হতে পারে। সুতরাং সর্দি কাশি দ্রুত নিরাময় করা উচিত।

  • Carva 75
  • Cefotil
  • Cefotil plus
  • Cinaron
  • Cinaron plus
  • Adolef
  • Remocof
  • Adovas
  • E-cof
  • Fexo 60
  • Dslor
  • Ace plus
  • Napa extand
  • Flamex 400
  • Metril
  • Histacin
  • Histalex
  • Histanol
  • Histin
  • টফেন

সতর্কতা: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ সেবন করবেন না।

সর্দি কাশির ক্যাপসুল এর নাম
বিভিন্ন ক্ষেত্রে ট্যাবলেটের সেই ক্যাপসুল অতি তাড়াতাড়ি কাজ সম্পন্ন করে। প্রায় দ্রুত ঠান্ডা আকাশে থেকে পরিত্রাণ পেতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। নিচে বেশ কিছু ক্যাপসুল এর নাম দেওয়া হলো:

  • Ambrox SR 75mg
  • Acorex 30mg
  • Ambeet 75mg
  • Ambozin SR 75mg
  • Ambroxol SR 75mg

সর্দি কাশির সিরাপের নাম
যারা ক্যাপসুল খেতে পারেন না বা ট্যাবলেট সেবন করতে পারেন না। বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা সিরাপের পরামর্শ দিয়ে থাকে।

  • Ambrox
  • Adovas
  • Tusca Plus
  • Boxol
  • Ambolit
  • Dexpoten
  • Sudocof
  • Ocof

সর্দি কাশির ঘরোয়া চিকিৎসা
সর্দি কাশি যেহেতু সাধারন একটি সমস্যা তাই আমাদের ঘরের বিভিন্ন উপাদান দিয়ে সর্দি কাশি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

কালোজিরা: সকল রোগের ওষুধ হিসাবে পরিচিত কালোজিরা। কারো জিরা বেটে কিংবা ভেজে কিংবা কাঁচা যে কোন উপায় খেলে খুব দ্রুত সর্দি কাশি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

তুলসী পাতা: সর্দি কাশি থেকে পরিত্রাণ পেতে সর্বপ্রথম যে উপাদানের নাম মনে পড়ে সেটি হল তুলসী পাতা। এটি আমাদের গ্রামবাংলা বহুল প্রচলিত। তুলসী পাতার রস বিভিন্ন ধরনের সর্দি কাশি গলা ব্যথা সহজ বিভিন্ন ধরনের রোগের নিরাময়ে সাহায্য করে। কয়েকটা তুলসী পাতা গাছ থেকে ছিঁড়ে কিছুটা পানির সাথে বেটে রস করে নিয়ে খেলে সর্দি কাশি থেকে পরিত্রাণ সম্ভব।

গরম পানি: সামান্য পরিমাণ লবণ গরম পানির মধ্যে মিশিয়ে সকাল রাতে গারগাল করলে কাশি এবং গলা ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়।

আদা: সর্দি কাশি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আদার রস কিংবা কাচা আদা খাওয়া যেতে পারে এতে খুবই দ্রুত ঠান্ডা কাশি সেরে যায় গরম পানি কিংবা চায়ের সাথে আদা খাওয়া যেতে পারে।

ট্যাগ : জ্বর সর্দি কাশির ঔষধের নাম,বাচ্চাদের জ্বর সর্দি কাশির ঔষধের নাম,জ্বর সর্দি কাশির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম,সর্দি কাশির ওষুধের নাম,কাশির ঔষধের নাম,সর্দি কাশির ঔষধের নাম, ঠান্ডা কাশির ঔষধের নাম,ঠান্ডা বা সর্দি কি,সর্দি কাশির ঘরোয়া চিকিৎসা,সর্দি কাশির ক্যাপসুল এর নাম,ঠান্ডার উপসর্গ,কাশি কি কারণে হয়ে থাকে,জ্বর সর্দি কাশি মেডিসিন নাম,জ্বর হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিত,ঠান্ডা জ্বরের ঔষধের নাম,জ্বর সর্দি কাশির এন্টিবায়োটিক,জ্বর সর্দি কাশির ঔষধের নাম,বাচ্চাদের জ্বর সর্দি কাশির ঔষধের নাম,জ্বর সর্দি কাশির এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *